সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে “মিরপুর-১৩ বিআরটিএতে আনসার সদস্যদের দুর্নীতি, তদবির-বাণিজ্য ও অর্থ লেনদেন” সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে আনসার কমান্ডার (পিসি) মোহাম্মদ আল আমিনসহ দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।মিরপুর-১৩ বিআরটিএতে কর্মরত আনসার সদস্যরা সরকার কর্তৃক অর্পিত নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করে আসছেন। প্রতিবেদনে যেসব অর্থ লেনদেন, তদবির-বাণিজ্য, সিরিয়াল বাণিজ্য ও দালাল চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নিরপেক্ষ তদন্তের তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।প্রতিবেদনে কিছু ব্যক্তির বক্তব্যকে ভিত্তি করে একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, অথচ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও প্রকৃত অবস্থা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এতে আনসার সদস্যদের পেশাগত মর্যাদা, ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু তথ্য-প্রমাণ ছাড়া সমগ্র আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং একটি শৃঙ্খলাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে।অতএব, প্রকাশিত সংবাদের অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অংশের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পুনঃতদন্ত করে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিচয় প্রদান করবেন।
প্রতিবাদকারী
মোহাম্মদ আল আমিন
আনসার কমান্ডার (পিসি)
মিরপুর-১৩ বিআরটিএ, ঢাকা মহানগর আনসার পশ্চিম জোন